মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আপনি যদি মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে আমাদের আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য। আমরা আজকে মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস এই টপিক টা নিয়ে অনেক গভীরে আলোচনা করার চেষ্টা করব ।

দেখুন বেশি মোটা হলে যেমন মানুষ অস্বস্তি বোধ করে ঠিক তদ্রুপ , যদি আপনি পর্যাপ্ত পরিমাণ মোটা না হন অর্থাৎ চিকনই রয়ে যান তাহলে কিন্তু সেটাও একটা অস্বস্তি বোধের কারণ হয়ে উঠতে পারে । যদিও এই মোটা না হওয়ার কারণটা একটা হরমোনের কারণ তবুও আপনি যদি মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস গুলো ফলো করে এগুলো মেনে চলেন তাহলে কিছুটা মোটা অবশ্যই হতে পারবেন ।

আমাদের পাঠকদের মধ্যে যারা চিকন রয়েছেন তারা হয়তো অনলাইনে বিভিন্নভাবে এই মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস সম্বন্ধে খুঁজেছেন কিন্তু আপনারা হয়তো সঠিক পরামর্শ পাননি । সমস্যা নাই আপনি আমার আজকের এই পোস্টটি পড়ুন আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতেছি যদি আমার বলার নিয়ম গুলো দুই মাস মেনে চলেন তাহলে আশা করি অবশ্যই আগের থেকে মোটা হতে পারবেন ।

যাই হোক ইন্ট্রোতে আর বেশি কথাবার্তা না বলে চলুন বন্ধুরা আমরা মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোকপাত করে আসি।

মোটা না হওয়ার কারণ কি ?

দেখুন আমি যদি শুধুমাত্র মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস সম্বন্ধে আলোচনা করে চলে যাই তাহলে আপনি হয়তো সেগুলো ফলো করবেন। কিন্তু মোটা না হওয়ার কারণগুলো সম্বন্ধে না জানলে আপনি ওই নিয়মগুলো ফলো করেও কোন ধরনের কাজ হবে না ।

যার কারণে আমি পাঠকদের কে মোটা হওয়ার ডাক্তার টিপস জানানোর আগে অবশ্যই মোটা না হওয়ার কারণগুলো বিস্তারিত আলোচনা করে দেব ।

মোটা না হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে হরমোনের সমস্যা থাকায়। যদি আপনার হরমোন ঠিকঠাকভাবে কাজ না করে তাহলে আপনি মোটা হতে পারবেন না তবে তবে আমাদের আজকের আলোচ্য বিষয় মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস গুলো পড়ে আগের থেকে কিছুটা স্বাস্থ্যবান হতে পারবেন ।

পড়ুনঃ সাত দিনে মোটা হওয়ার উপায় | মোটা হওয়ার ঔষধের নাম জানতে চান?

যদি আপনার বিভিন্ন ধরনের মানসিক টেনশন বা মানসিক অস্বস্তি বোধ থাকে তাহলে আপনি মোটা হওয়ার টিপস ফলো করেও মোটা হতে পারবেন না ।

শারীরিক বিভিন্ন ধরনের অসুখ যেমন যক্ষ্মা, ডায়াবেটিকস, ডায়রিয়া, কলেরা , টাইফয়েড , এইচআইভি । এই ধরনের অসুখগুলো যদি আপনার ভিতরে থাকে তাহলে আপনি মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস ফলো করেও মোটা হতে সক্ষম হবেন না ।

আরোও পড়ুনঃ   জনসন বেবি ক্রিম এর উপকারিতা গুলো জানুন

উপরে বর্ণিত সমস্যাগুলো যদি আপনার ভিতর থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই সেগুলো আগে সমাধান করবে।ন তারপর আমার বলা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া মোটা হওয়ার ওষুধ সেবন করলে আশা করি আপনি আগের থেকে বেশ স্বাস্থ্যবান হতে পারবেন ।

মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস

চলুন বন্ধুরা এখন আমরা আজকের পোষ্টের আলোচ্য বিষয় মোটা হওয়ার টিপস সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করি। আমি প্রত্যেকটা বিষয়ে টপিক ভিত্তিক আলাদা করে করে আপনাদেরকে পরিষ্কারভাবে বোঝানোর চেষ্টা করব তাই লেখাগুলো মনোযোগ সহকারে পড়বেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ চালাবেন।

1. নিয়মিত ব্যায়াম চালিয়ে যাওয়া

পাঠকদের মধ্যে অনেকেই ভেবে থাকে যে ব্যায়াম হয়তো শুধুমাত্র ওজন কমানোর জন্যই করা হয়ে থাকে। কিন্তু আপনাদের এই ধারণা করাটি সঠিক নয় কারণ ব্যায়াম করলে আমাদের শরীরের পেশীগুলো প্রসারিত হয় ।

অর্থাৎ ব্যায়াম করার মাধ্যমে আমাদের শরীর ও মন দুইটাই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে । তাই মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস গুলো সঠিকভাবে বলতে গেলে ব্যায়াম করার বিষয়টা সেখানে অবশ্যই যুক্ত থাকা আবশ্যক ।

তাই বলে রাখবো আপনি আমার আজকের এই আর্টিকেল টি পড়ার পর অবশ্যই নিয়মিত সকাল বেলা উঠে ব্যায়াম করবেন। এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ কোন ব্যক্তির থেকে আপনার ফিটনেস অনুযায়ী কি ব্যায়াম করবেন সেটা জেনে নেওয়া ভালো ।

২. মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস এর মধ্যে অন্যতম সঠিকভাবে খাবার গ্রহণ করা ।

দেখুন আপনার স্বাস্থের ৮০ শতাংশ নির্ভর করছে আপনার খাবারের ওপর । তাই আমার আজকের পোষ্টের টপিকগুলোর মধ্যে আপনি অন্যান্য টপিক মানতে না পারলেও এই খাবারের নিয়ম বিষয়টা অবশ্যই সঠিকভাবে মানার চেষ্টা করবেন । কারণ মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস এর মধ্যে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় এই সঠিকভাবে খাবার গ্রহণ করাটাকে ।

চলুন আমরা মোটা হওয়ার জন্য খাবার গ্রহণের নিয়ম টা ভালোভাবে জেনে নেই ।

৩. বারবার খাদ্য গ্রহণ করুন

একজন সাধারণ মানুষ সুস্থ থাকতে চাইলে তাকেও বারবার খাদ্য গ্রহণ করতে হয়। আর যদি আপনি মোটা হতে চান তাহলে তো এর বিকল্প নেই । আপনার উচিত প্রতি দুই ঘন্টা পর পর কোন না কোন খাদ্য গ্রহণ করা । প্রতি ২ ঘন্টা পর পর একদম পেট ভরে খাওয়ার চেষ্টা করবেন । তবে আজেবাজে কিছু খাবেন না আপনি দুধ মাখন ঘি দই এই সকল জাতীয় খাবার গ্রহণ করার চেষ্টা করবেন ।

আর হ্যাঁ এই বারবার খাদ্য গ্রহণ করার সময় আপনি পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার চেষ্টা করবেন । কারণ পানির মধ্যে থাকা অক্সিজেন আমাদের শরীরের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান ।

৪. প্রতিদিন ঘুমানোর আগে মধু খাইতে হবে

অনেকেই ভাবে ঘুমানোর পরও হয়তো তাদের পেটে থাকা খাবারগুলো আর কোন কাজ করে না। কিন্তু বন্ধুরা মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস গুলোর মধ্যে এই মধু খাওয়াটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ।

সাত দিনে মোটা হওয়ার উপায় | মোটা হওয়ার ঔষধের নাম

মধুর মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালোরি যা আপনার শরীরের ওজন বাড়াতে এবং শরীরকে সতেজ রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করবে । আপনি প্রতিদিন ঘুমানোর আগে নির্দিষ্ট পরিমাণ মধু খেয়ে তারপর ঘুমাতে যাবেন তাহলে যখন আপনি ঘুমাবেন তখন মধুগুলো আপনার শরীরের হজম কার্যকে চালিয়ে রাখতে সাহায্য করবে এবং আপনার শরীরের ওজন বাড়াতেও বেশ ভূমিকা পালন করবে । মেডিকেল সাইন্স এর মতে এই মধু খাওয়া একটি পরীক্ষিত মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস যা আপনি অবশ্যই পালন করে চলবেন ।

আরোও পড়ুনঃ   হরিতকির উপকারিতা গুলো বিস্তারিত জেনে নিন

৫. বেশি পরিমাণ ড্রাই ফুড খেতে থাকুন

পরীক্ষিত যে এই ড্রাই ফুডে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি যা কোন একটা মানব দেহের ওজন বাড়াতে বাড়াতে বহুগুনে সাহায্য করে । ড্রাই ফুডে রয়েছে কাঁচা বাদাম কিসমিস এছাড়াও কাঁচা বুট ।

প্রতিদিন সকালে উঠে দুইটি করে কাঁচা বাদাম সাথে কিসমিস খাইতে ভুলবেন না। সকালবেলা এই নিয়মটা মেনে চললে সারাদিন আপনার শরীরে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে ।

সত্যিই মোটা হতে চাইলে সকাল বেলার খাদ্য তালিকায় আপনি এটা অবশ্যই রাখবেন কোনদিন মিস করবেন না ।

৬. আলু খাবেন বেশি বেশি

মেডিকেল সাইন্স এর মতে আলুর ভিতরে এমন একটি উপাদান রয়েছে যা মানব দেহের ওজন এবং মানবদেহ কে মোটা করতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা করে থেকে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই আপনি আলুর ভাজি , আলুর বিরান বা আলুর ভর্তা রাখার চেষ্টা করবেন । যদি আপনি নিয়মিত আলু খেতে থাকেন তাহলে অবশ্যই এর ফলাফল মাসের শেষে গিয়ে দেখতে পাবেন ।

৭. দুধ ডিম গ্রহণ করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস

দুধ আর ডিমে যে কত পরিমাণ ভিটামিন আছে তা আর আমাকে নতুন করে বলতে হবে না আপনারা হয়তো ইতিমধ্যেই জানেন । যদি আপনি এই দুধ আর ডিম প্রতিদিন নিয়মিত করে সকালে উঠে খেতে পারেন তাহলে আশা রাখা যায় দুই মাসের মধ্যে আপনি আপনার স্বাস্থ্যকে অনেক বেশি বাড়িয়ে ফেলতে পারবেন ।

মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস গুলোর তালিকা করতে গেলে এই দুধ আর ডিম খাওয়াটা সবার উপরের দিকে থাকবে । কারণ দুধে আর ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি যা মানব দেহের ওজন বাড়াতে অনেক সাহায্য করে ।

দুধ সব সময় টাটকা খাওয়ার চেষ্টা করবেন বাসি দুধ কখনো খাবেন না । আর ডিমের মধ্যে আপনি দেশি মুরগি এবং হাঁসের ডিম রাখতে পারেন । আর হ্যাঁ অবশ্যই ডিমগুলো সিদ্ধ করে খাওয়ার চেষ্টা করবেন ।

৮. পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালরি গ্রহণ করতে হবে

দেখুন বন্ধুরা শরীরে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালরি না থাকে তাহলে কখনোই আপনার শরীর নিজের ওজন বাড়াতে পারবে না। যার কারণে আপনাকে এই ক্যালোরি গ্রহণ করার ব্যাপারটা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে । যদি আপনি আপনার শরীরে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি ঢুকাতে পারেন তাহলে ইনশাআল্লাহ আপনি খুব কম সময়ের মধ্যে মোটা হয়ে যেতে পারবেন এবং মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপসগুলো ফলো করার মাধ্যমে নিজের ওজন বাড়িয়ে নিতে পারবেন।

আরোও পড়ুনঃ   পান্তা ভাতের ক্ষতিকর দিক - পান্তা ভাতের উপকারিতা ও অপকারিতা

চেষ্টা করবেন প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৭০০ ক্যালোরি আপনার শরীরে প্রবেশ করানোর। এবং যদি বেশি মোটা হয়ে যান তাহলে এই পরিমাণটা একটু কমিয়ে দিবেন তাহলে আপনার শরীরে আর কোন ক্ষতি হবে না । এইভাবে এক সপ্তাহ শরীরের মধ্যে ক্যালরি প্রবেশ করান দেখবেন আপনি আগের থেকে অনেক ভালো ফলাফল পেয়েছেন ।

৯. টেনশন মুক্ত থাকতে হবে

আপনি যদি সারাদিন খাদ্য গ্রহণ করেন সারাদিন ব্যায়াম করেন কিন্তু মনের ভেতর যদি আপনার টেনশন থাকে তাহলে কখনোই সেই কষ্টগুলো আপনার কাজে আসবেনা । আমাদের মস্তিষ্ক যদি ফ্রেশ থাকে তাহলে আমরা যে খাদ্যই গ্রহণ করি সেটাই আমাদের শরীরের জন্য উপকারী হবে ।

আর যদি সব সময় মাথার মধ্যে টেনশন থাকে তাহলে আপনি ভাল খাদ্য গ্রহণ করলেও সেটা আপনার শরীরে খুব বেশি একটা কাজ করবে না । তাই আমি বলব আপনি মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস গুলো ফলো করার পাশাপাশি কখনোই বেশি অতিরিক্ত টেনশন করবেন না । এতে আপনার শরীর এবং স্বাস্থ্য আরো কমে যেতে পারে ।

তাই সব সময় টেনশন কম করার চেষ্টা করবেন এবং আমার বলা ডাক্তারি টিপস গুলো ফলো করবেন ।

১০. পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম

পর্যাপ্ত পরিমাণ না ঘুমালে আমাদের মস্তিষ্ক নিজেই নিজেকে খেয়ে ফেলতে শুরু করে । আর এই কথাটা অনেক ভয়ঙ্কর । এছাড়াও যদি আপনি পর্যাপ্ত পরিমাণ না ঘুমান তাহলে আমাদের শরীর রিফ্রেশ হওয়ার সময় পাবে না এবং শরীরের ভিতরে যেগুলো যাবে সেগুলো সঠিকভাবে তাদের নিজেদের কাজ করতে পারবে না ।

তাই বন্ধুরা, আপনি প্রতিদিন এটা নিশ্চিত করুন যে আপনি পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমিয়েছেন। গরে প্রতিদিন অবশ্যই আট ঘণ্টার মতো ঘুমানোর চেষ্টা করবেন । তবে বয়স ভেদে এই পরিমাণটা কম বা বেশি হতে পারে কিন্তু কখনোই নিজের চাহিদার থেকে কম ঘুমাবেন না। মনে রাখবেন প্রতিটি মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস এর মধ্যে এই ঘুম কিন্তু অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি টিপস । আর হ্যাঁ ঘুমের আগে অবশ্যই পুষ্টিকর জাতীয় কিছু খাবার খাবেন তাহলে ঘুমানোর মধ্যেও আপনার শরীরের ওজন বৃদ্ধির কাজে সহায়তা করতে পারবেন ।

পরিশেষে 

আলহামদুলিল্লাহ আমরা আমাদের আজকের মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস এই আর্টিকেল এর একদম শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি । বন্ধুরা আমরা মোটা হওয়ার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস আপনাদের সাথে আলোচনা করেছি । চেষ্টা করবেন আমাদের আলোচনার প্রতিটা টিপস যেন খুব ভালোভাবে মেনে চলতে পারেন ।

যদি আপনি শুধু আমার বলা মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস গুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে পারেন তাহলে আমি গ্যারান্টি দিতে পারি আপনার আর মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস সম্পর্কে অন্য কোন আর্টিকেল পড়তে হবে না । যাই হোক আমাদের আলোচনা করা টিপস গুলোর মধ্যে যদি আপনার কোথাও কোনও মোটা হওয়ার ডাক্তারি টিপস বুঝতে অসুবিধা হয় তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন । কমেন্ট করতে না পারলে আমাদের বাংলা ব্লগস্পট ফেসবুক পেইজে আপনার সমস্যাগুলো শেয়ার করতে পারেন আমরা যথা সম্ভব উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব ।

ভালো লাগতে পারে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button