রবিউল আউয়াল মাসের করণীয় বর্জনীয় গুলো কি কি

আপনি কি রবিউল আউয়াল মাসের করণীয় বর্জনীয় গুলো কি কি সেটা জানতে আঘ্রহী ? তাহলে অবশ্যই আজকের এই পোষ্ট শেষ পর্যন্ত পড়বেন। এখানে আজকের পোষ্টে আপনাদের সাথে আমরা রবিউল আউয়াল মাসের করণীয় বর্জনীয় গুলো সুন্দরভাবে তুলে ধরব। চলুন শুরু করি।

রবিউল আউয়াল মাসের করণীয় বর্জনীয়

রবিউল আউয়াল মাস হল ইসলামের তৃতীয় মাস। এই মাসটি মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস। কারণ এই মাসেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্মগ্রহণ করেন এবং এই মাসেই তিনি ইন্তেকাল করেন। এছাড়াও এই মাসেই ইসলামের ইতিহাসের পটপরিবর্তনকারী হিজরতের ঘটনা ঘটে।

রবিউল আউয়াল মাসের করণীয়

  • নবীজির উপর বেশি বেশি দুরূদ ও সালাম পাঠ করা। নবীজির উপর দুরূদ ও সালাম পাঠ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন হয় এবং নবীজির প্রতি ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়। রবিউল আউয়াল মাসে নবীজির উপর বেশি বেশি দুরূদ ও সালাম পাঠ করা উচিত।
  • নবীজির জীবন ও আদর্শ সম্পর্কে আলোচনা ও গবেষণা করা। নবীজির জীবন ও আদর্শ হলো মুসলমানদের জন্য অনুসরণীয়। রবিউল আউয়াল মাসে নবীজির জীবন ও আদর্শ সম্পর্কে আলোচনা ও গবেষণা করা উচিত। এতে নবীজির আদর্শ আমাদের জীবনে বাস্তবায়িত হবে।
  • নবীজির স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলো দর্শন করা। মক্কা, মদিনাসহ অন্যান্য স্থানে নবীজির স্মৃতি বিজড়িত অনেক স্থান রয়েছে। রবিউল আউয়াল মাসে এসব স্থান দর্শন করা উচিত। এতে নবীজির প্রতি ভালোবাসা বৃদ্ধি পায় এবং তাঁর স্মৃতি স্মরণ করা হয়।
  • নবীজির নামে দান-খয়রাত করা। দান-খয়রাত একটি মহৎ কাজ। এতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন হয় এবং মানুষের কল্যাণ হয়। রবিউল আউয়াল মাসে নবীজির নামে দান-খয়রাত করা উচিত।
  • নবীজির সুন্নতগুলো পালন করা। নবীজির সুন্নতগুলো হলো ইসলামের সঠিক পথ। রবিউল আউয়াল মাসে নবীজির সুন্নতগুলো পালন করা উচিত। এতে নবীজির অনুসরণ করা হয় এবং তাঁর আদর্শ বাস্তবায়িত হয়।
আরোও পড়ুনঃ   মাহে রবিউল আউয়ালের মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য বিস্তারিত জানুন

রবিউল আউয়াল মাসের বর্জনীয়

  • নবীজির জন্ম বা মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা। নবীজির জন্ম বা মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা জায়েজ নয়। কারণ নবীজি নিজেই এ ধরনের অনুষ্ঠান পালন করতে নিষেধ করেছেন।
  • নবীজির নামে মিছিল বা শোভাযাত্রা করা। নবীজির নামে মিছিল বা শোভাযাত্রা করাও জায়েজ নয়। কারণ এতে নবীজির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয় না।
  • নবীজির নামে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করা। নবীজির নামে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করাও জায়েজ নয়। কারণ এতে নবীজির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয় না।
  • নবীজির নামে নতুন পোশাক পরিধান করা। নবীজির নামে নতুন পোশাক পরিধান করাও জায়েজ নয়। কারণ এতে নবীজির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয় না।

রবিউল আউয়াল মাস হলো মুসলমানদের জন্য একটি বিশেষ মাস। এই মাসটিতে নবীজির জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়। তাই এই মাসটিতে নবীজির প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করা উচিত। কিন্তু নবীজির জন্ম বা মৃত্যুবার্ষিকী পালনের নামে কোনো জায়েজহীন কাজ করা উচিত নয়। তো এই রবিউল আউয়াল মাসের করণীয় বর্জনীয়  সম্পর্কে আপনার মনে আর কোনো প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিবেন।

ভালো লাগতে পারে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button