সাগর কলার উপকারিতা ও অপকারিতা বিস্তারিত জেনে নিন

আসসালামু আলাইকুম , কলা আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারী সেটা আমরা কমবেশি সকলেই জানি । কিন্তু আমাদেরকে এই সাগর কলার উপকারিতা এবং এই সাগর কলার অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে। না হলে আমরা সঠিকভাবে এই কলা সেবন করতে পারব না এবং আমরা ভালভাবে এই কলা থেকে উপকারিতা টাও ঠিক ভাবে নিতে পারব না ।

সাগর কলার উপকারিতা – সাগর কলার অপকারিতা

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা সাগর কলা খেতে খুব পছন্দ করে কিন্তু তারা এই সাগর কলার উপকারিতা ও অপকারিতা ঠিকভাবে জানে না তারা আমাদের আজকের পোস্ট শেষ পর্যন্ত পড়বেন ইনশাআল্লাহ আপনিও সাগর কলার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন । প্রতিটা জিনিসের যেমন উপকারিতা রয়েছে তেমনি সেই জিনিসগুলোর আবার সাইড ইফেক্ট বা অপকারিতা ও রয়েছে । তাই একই পোস্টে আমরা সাগর কলার দুইটা দিকই আপনাদের মাঝে উন্মোচন করব, তাহলে চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক ।

সাগর কলার উপকারিতা ও অপকারিতা বিস্তারিত জেনে নিন

সাগর কলার মধ্যে থাকা উপাদান

আমরা সকলেই জানি সাগর কলার মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং অনেক উপকারী উপাদান গুলো থেকে থাকে । কিন্তু অনেকেই এই উপাদানগুলোর সঠিক মাত্রা জানে না তাদের জন্য আমি নিচে এই কলার মধ্যে থাকা উপাদান গুলোর লিস্ট এবং শতকরা হার দিয়ে দিলাম ।

পড়ুনঃ প্রতিদিন কালোজিরা খেলে কি ক্ষতি হয়? কালোজিরা খাওয়ার অপকারিতা

✓ প্রতি ১০০ গ্রাম পরিমাণ কলার মধ্যে যে উপাদান গুলো থাকে:

পানি বা water (জল) ———— ৭০.১%
খনিজ লবণ এর পরিমান ————- ০.৮%
আমিষ থাকে —————- ১.২%
ফ্যাট বা চর্বি থাকে———— ০.৩%
শর্করার পরিমান থাকে —————— ৭.২%
আঁশ উপস্থিত ——————- ০.৪%
তাহলে সর্বমোট হলো —————– ১০০.০%।

কলাতে থাকা খনিজ লবণ এবং ভিটামিনের পরিমাণ

ফসফরাস উপস্থিত থাকে —————— ৫০মি.গ্রা.
ক্যালসিয়াম থাকে—————– ৮৫মি.গ্রা.
আয়রন বা লৌহ থাকে————— ০.৬মি.গ্রা.
ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এর পরিমান—– ৮মি.গ্রা.
তাহলে সর্রব মোট ক্যালরি —————– ১১৬!

সাগর কলার উপকারিতা

প্রায় প্রত্যেকের খাদ্য তালিকায় সাগর কলা রয়েছেই। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ এই সাগর কলার উপকারিতা সম্পর্কে অবগত নয় তাই আমরা প্রথমে এই সাগর পালার উপকারিতা নিয়ে আপনাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করব এবং তারপরে অপকারিতা নিয়েও আপনাদের সাথে আলোচনা করা হবে ।

ওজন বৃদ্ধি করতে সাগর কলার উপকারিত

ওজন আমাদের শরীরের অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় । যাদের শরীরে ওজন অনেক কম তারা এই ওজন বাড়ানোর জন্য অনেক চেষ্টা করে থাকে । আবার যাদের শরীরের ওজন বেশি তারা এই ওজনকে কমানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে থাকে । কিন্তু যদি আপনার শরীরের ওজন অনেক কম হয়ে থাকে এবং আপনি এই ওজনকে আরো বাড়াতে চাচ্ছেন তাহলে আপনার নিশ্চয়ই এই সাগর কলা নিয়মিত খাওয়া উচিত।

আরোও পড়ুনঃ   ৭ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উপায় - ওজন কমানোর উপায় ডায়েট চাট

কারণ সাগর কলাই পারে আপনার শরীরের ওজন সঠিকভাবে বৃদ্ধি করতে। তবে হ্যাঁ যদি আপনি প্রতিদিন সকালে দুটি সাগরকলা এবং এর সাথে ২৫০ গ্রাম দুধ মিশিয়ে খেতে পারেন তাহলে আরো অনেক বেশি উপকারিতা পাবেন । আশা করি এই কাজটি কয়েক মাস করলে নিশ্চয় আপনার ওজন আগের থেকে অনেক বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি ফিট থাকতে পারবেন ।

খবর হজমে সাহায্যঃ

হজম কার্য আমাদের শরীরের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আর যাদের এই হজম কার্য সঠিকভাবে সম্পন্ন হয় না তাদের পেটে অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দেয় । আপনার ও যদি এই হজমের সমস্যা থেকে থাকে তাহলে আপনি চাইলে সাগর কলা খাওয়ার মাধ্যমে এই সমস্যাটাকে অনেকাংশে সারিয়ে তুলতে পারবেন  ।
যেহেতু সাগর কলা একটি পিচ্ছিল জাতীয় খাবার তাই যখন আপনি সাগর কলা সেবন করবেন তখন এই উপাদান গুলো পেতে গিয়ে আপনার খাবারকে পিচ্ছিল করে তুলবে এবং এটিকে হজমের জন্য খুব সহজে প্রস্তুত করতে পারবে । তাই বন্ধুরা আপনারা যদি প্রতিবার খাওয়ার পরে একটি করে সাগর গলা খেতে পারেন তাহলে ইনশাআল্লাহ আপনার হজম আরো দ্রুত হতে পারবে ।

লোহিত রক্তকণিকার উপাদান বাড়াতে :

আমাদের শরীরে রক্ত অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান রক্ত ছাড়া আমরা কোনভাবে বেঁচে থাকতে পারবো না । আর এই রক্তের মধ্যে  বিভিন্ন ধরনের কণিকা থাকে, তার মধ্যে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি কনিকার নাম হচ্ছে লোহিত রক্ত কণিকা ।
এই লোহিত রক্তকণিকা আমাদের শরীরের রোগ জীবাণু ধ্বংস করার পাশাপাশি আরও বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে । যদি কারো শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার উপাদান কমে যায় তাহলে তারা স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকা অনেক কঠিন হয়ে যায় । তো যদি আপনি নিয়মিত সাগর কলা কাহন তাহলে কিন্তু আপনার শরীরে এই লোহিত রক্তকণিকার ঘটাতি অনেক কমে যাবে । লোহিত রক্ত কণিকা বাড়ার প্রধান কারণ হচ্ছে সাগর কলায় থেকে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স আর ভিটামিন বি কমপ্লেক্স আমাদের লোহিত রক্তকণিকা বাড়ায়।
অর্থাৎ আপনার শরীরে এই রক্ত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যাবে ,যেটা আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করবে।

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:

স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপন করা বা সুস্থ থাকার জন্য শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যে কতটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস সেটা আমরা কম বেশি সবাই জানি । যদি আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় তাহলে আপনি এক ঘন্টাও ভালো মতো থাকতে পারবেন না। কারণ প্রতিনিয়ত আমাদের শরীরে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া রোগ জীবাণু আক্রমণ করে যেগুলো আমাদের শরীর নিজে থেকে ঠিক করে নেয় ।
কিন্তু যদি আপনার শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় তাহলে কোন রোগ নিজে থেকে ঠিক হবে না তখন আপনি তাড়াতাড়ি অসুস্থ হয়ে যাবেন এবং বেঁচে থাকা সম্ভব হবে না । কিন্তু এই সাগর কলায় থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেটা আমাদের শরীরে প্রবেশ করলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুনে বাড়িয়ে তোলে । তাই প্রতিনিয়ত আপনারা চেষ্টা করবেন সাগর কলা খাওয়ার তাহলে আপনারা শরীর ও সুস্থ থাকবে ইনশাল্লাহ ।

মস্তিষ্কের স্নায়ু গুলোকে সতেজ রাখতে সাগর কলার কাজ:

আমরা যাই করি না কেন তারা সবকিছু নির্দেশ আসে আমাদের মস্তিষ্ক থেকে । যদি আমাদের মস্তিষ্ক ঠিকভাবে কাজ না করে তাহলে আমরা এক সেকেন্ডও ঠিকভাবে থাকতে পারবো না । আর মস্তিষ্ক চলে হচ্ছে তার স্নায়ু গুলোর সাহায্যে । যদি এই স্নায়ু গুলো ঠিকভাবে কাজ করতে না পারে তাহলে মস্তিষ্ক অচল হয়ে পড়বে অর্থাৎ আপনি পুরো মানুষটাই অচল হয়ে যাবেন ।
কিন্তু যখন আপনি প্রতিনিয়ত সাগর কলা খেতে থাকবেন তখন এই সাগর কলার মধ্যে থাকা বিভিন্ন ধরনের উপাদান আপনার মস্তিষ্কের স্নায়ু গুলো কে সতেজ রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করবে । আর যখন আপনার মস্তিষ্কের স্নায়ু গুলো সতেজ থাকবে এবং সেগুলো ভালো মতো কাজ করতে পারবে তখন আপনিও অনেক বেশি কমফোর্ট ফিল করবেন এবং সুস্থভাবে জীবন যাপন করতে সক্ষম হবেন । তাছাড়াও মস্তিষ্কের স্নায়ু গুলো ঠিক থাকলে আপনাদের স্মরণশক্তি ও বহুগুনে বৃদ্ধি পাবে ।

আরোও পড়ুনঃ   চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাক্তারদের তালিকা সম্পর্কে বিস্তারিত

শরীরের ভিটামিনের ঘাটতি পূরণে:

মানবদেহের জন্য ভিটামিনের গুরুত্ব আমি নতুন করে বলবো না । ভিটামিন ছাড়া আমাদের শরীর একদম চলবে না । তো আমাদের শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করতে হলে আমাদেরকে এমন কিছু খাদ্য আমাদের খাবার তালিকায় রাখতে হবে যেগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন থাকে ।
কিন্তু বর্তমানে আমরা এমন কিছু খেতে পারি না যে খাদ্যের মধ্যে একসাথে সকল ধরনের ভিটামিন পাওয়া যাবে। যার কারণে আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষেরই এই ভিটামিনের সমস্যাটি দেখা যায় । তবে সাগরকলা এমন একটি খাবার যার মধ্যে প্রায় সব ধরনের ভিটামিন উপস্থিত আছে । তাই আমি আপনাদের অনুরোধ করবো যদি আপনি আপনার শরীরের ভিটামিনের ঘাটতি সঠিকভাবে পূরণ করতে চান তাহলে নিশ্চয় প্রতিদিন সাগর কলাকে আপনার খাবার তালিকায় রাখুন।

হার্টের সমস্যা সমাধানে:

জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এই হার্ট এক সেকেন্ডের জন্য ও বন্ধ থাকে না । যদি এই হার্ট কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয় তাহলে আমরা আর বেঁচে থাকতে পারবো না ।  কারণ এই হার্টের মাধ্যমে আমাদের পুরো শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে। হার্ট বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ঘটবে না তখন আমরা সাথে সাথে মৃত্যুবরণ করবো ।
কিন্তু বন্ধুরা যদি আমরা নিয়মিত সাগর কলা খেতে পারি তাহলে এটি আমাদের রক্ত সঞ্চালনকে সঠিক রাখবে এবং আমাদের হার্টের কার্যক্ষমতা ও বেড়ে যাবে । তাই বলবো যদি আপনার হার্টের কোন সমস্যা থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই সাগর কলা খাবেন নিয়মিত ।

ক্যান্সারের ঝুকি কমাতে

ক্যান্সার অনেক মারাত্মক একটি রোগ এটি হলে মানুষের বাঁচার সম্ভাবনা অনেক কমে যায় । কিন্তু বন্ধুরা আপনাদের জানিয়ে রাখা ভালো যদি আমরা কলা খেতে পারি নিয়মিত তাহলে এটি আমাদের শরীরের মধ্যে থাকা রক্ত কণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলবে এবং ক্যান্সারের সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে ।

পরিয়ডের ব্যথা কমায়

মহিলাদের প্রতি মাসে একবার করে মাসিক হয় আর এই মাসিকের সময় পেটে ব্যথা করে আর যেটা অনেক তীব্র ব্যথা । অনেক মহিলা এই ব্যথা সহ্য করতে পারে না । কিন্তু কলাতে যেহেতু ভিটামিন বি সিক্স এবং পটাশিয়াম থাকে তাই যদি আপনারা মাসিকের সময় এই সাগর কলাটি খেতে পারেন তাহলে আপনাদের জরা–য়ুর পেশির শক্তি মাত্রা বেড়ে যাবে এবং মাসিকের সময় আপনার পেটের ব্যথা ও কিছুটা কমে যাবে । তাই চেষ্টা করুন মাসিকের সময় এই সাগর কলা খেতে ।

আরোও পড়ুনঃ   চালের গুড়ার উপকারিতা - চালের গুড়ার ফেসপ্যাক বানানো শিখুন

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে

সাভাবিক জীবন যাপনের জন্য রক্ত চাপ ঠিক থাকাটা আমাদের প্রত্যেকের শরীরের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস । যদি রক্তচাপ কম বা বেশি হয়ে যায় তাহলে আমরা কখনোই স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপন করতে পারবো না ।
কিন্তু সাগর কলার মধ্যে যেহেতু পটাশিয়াম, সোডিয়াম, কার্বোহাইড্রট এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলো থাকে তাই এটি আমাদের শরীরের রক্তচাপকে স্বাভাবিক করতে অনেকটা সাহায্য করে থাকে ।

গুরুত্বপূর্ণ কথা: কলা খুব সহজে পেকে যায় এবং অনেক তাড়াতাড়ি এটি নষ্ট হয়ে যায়। এমন অনেক মানুষ আছে যারা বেশি পাকা কলা খেতে চায় না কারণ এটা খেতে হয়তো তাদের ভালো লাগেনা । কিন্তু এই বেশি পাকা কলার মধ্যে সিএনএফ ভিটামিন থাকে যেটা আমাদের শরীরের জন্য মারাত্মক উপকারী । তাই বলছি বেশি পাকা কলা এড়িয়ে চলা বন্ধ করে , খেয়ে ফেলুন এতে আপনার শরীরের জন্য ভালো হবে ।

সাগর কলার অপকারিতা

উপরে আপনারা এতক্ষন সাগর কলার উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসলেন। ভালোমতো পড়লে অবশ্যই বুঝতে পেরেছেন আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারী এবং কোন কোন অসুখের ঔষধ হিসেবে সাগর কলা কাজ করতে পারে ।
কিন্তু প্রত্যেকটা জিনিসের ভালো দিক থাকার পাশাপাশি এর কিছু খারাপ দিক ও লক্ষ্য করা যায় । তাই সাগর কলার ও কিছু খারাপ দিক বা সাগর কলার অপকারিতা রয়েছে যেগুলো আপনারা নিজের লেখাগুলো পড়লে বুঝতে পারবেন ।

মনে রাখবেন সাগর কলা যেহেতু পিচ্ছিল জাতীয় খাবার তাই এতে শর্করার পরিমান বেশি থাকে এবং এতে যদি আপনারা দাঁত ব্রাশ করেন তাহলে আপনার দাঁতের ক্ষয় হতে পারে । এছাড়াও সাগর কলার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যামিনো এসিড থাকে যেটা বেশি পেটে গেলে আমাদের পেটে এসির মাত্রা বেড়ে যেতে পারে এবং বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে তাই এটি বেশি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন অবশ্যই সল্প পরিমাণে খাবেন ।

এছাড়াও যে মহিলা গর্ভপতী,সে যদি এই সাগর কলা খেতে চায় তাহলে অবশ্যই তাকে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে ।
যদি আপনার শরীরে এলার্জি জনিত কোনো ধরনের সমস্যা থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই এই কলার মুকুল এবং কান্ড খাওয়া থেকে বিরত থাকুন ।
যেহেতু এই কলার মধ্যে অ্যাসিটিকের মাত্রাটা অনেক বেশি থাকে তাই অবশ্যই শুকনো জিনিসের সাথে কলা খাওয়ার চেষ্টা করবেন,  না হলে আপনাদের শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে।
যেহেতু কলার মধ্যে অনেক বেশি পরিমাণে অ্যামিনো এসিড থাকে, তাই কেউ যদি এটি অতিরিক্ত খেতে থাকে তাহলে তার রক্ত নালীতে সমস্যা দেখা দিতে পারে ।

পরিশেষেঃ  সাগর কলার উপকারিতা ও অপকারিতা

আমি আশা করব আজকের পর থেকে সাগরকলা সম্পর্কে আর কোন ধরনের প্রশ্ন আমাদের মনে থাকবে না। আমি আজকের পোষ্টের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সাগর কলার উপকারিতা এবং সাগর কলার অপকারিতা এছাড়াও এটায় কি কি ধরনের উপাদান থাকে সবগুলো আপনাদেরকে ক্লিয়ার ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছি।
আমি চাইলে শুধু সাগর কলার উপকারিতা নিয়েই আর্টিকেলটি লিখতে পারতাম। কিন্তু প্রত্যেকটা জিনিসেরই ভালো এবং খারাপ দুটো দিক রয়েছে। তাই আপনাদের কে আমি অপকারিতা ও বুঝিয়ে দিয়েছে যাতে করে আপনারা নিজে থেকে সবকিছু জানতে পারেন এবং সঠিক মাথায় খাদ্যগুলো গ্রহন করতে পারেন । আমি একটা কথাই বলবো অতিরিক্ত কোন কিছু খাবেন না আপনি নিয়মিত কলা সেবন করতে চাইলে প্রতিদিন এক থেকে দুটো খেতে পারেন এর বেশি খাবেন না ।
যদি আজকের পোস্ট সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকে, এছাড়া যদি আজকের পোস্টে বলা ইনফরমেশন গুলোর মধ্যে আপনার কোন একটি বুঝতে সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন এবং পোস্টটি আপনার কাছের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে তাদেরকেও এই সকল জ্ঞান অর্জন করার সুযোগ করে দিন ।

ভালো লাগতে পারে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button