তাহারেই পড়ে মনে কবিতার mcq – তাহারেই পড়ে মনে কবিতার ব্যাখ্যা

আজকের এই পোস্টটি এমন ভাবে সাজানো হয়েছে। এই পোস্ট পড়লে যে কেউ তাহারেই পড়ে মনে কবিতা থেকে আসা সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে। যেমন তাহারেই পড়ে মনে কবিতার mcq, তাহারেই পড়ে মনে কবিতার মূলভাব, তাহারেই পড়ে মনে কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন, তাহারেই পড়ে মনে কবিতার অনুধাবন প্রশ্ন। এই সবকিছু বুঝবেন আজকের পোস্ট টি পড়লে। আমি এমন ভাবে তাহারেই পড়ে মনে কবিতার ব্যাখ্যা এবং শব্দার্থ গুলো লিখেছি যাতে যেকেউ খুব সহজেই বুঝতে পারে।
এই সম্পর্কিত আরোও পোস্ট পড়ুন
- তাহারেই পড়ে মনে কবিতার mcq – তাহারেই পড়ে মনে কবিতার ব্যাখ্যা
- আমার পথ প্রবন্ধের mcq | আমার পথ প্রবন্ধের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন (100% common)
- এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন 2022 pdf – hsc exam routine 2022
- লালসালু উপন্যাসের মূলভাব | লালসালু উপন্যাসের চরিত্রসমূহ
তাহারেই পড়ে মনে কবিতার mcq – তাহারেই পড়ে মনে কবিতার ব্যাখ্যা
কবিতার নামঃ তাহারেই পড়ে মনে
লেখকঃ সুফিয়া কামাল
✅ সুফিয়া কামালের তাহারেই পড়ে মনে কবিতাটি ১৯৩৫ সালে (১৩৪২ বংগাব্দে) মাসিক ‘মোহাম্মদী’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।পরবর্তীতে কবিতাটি তাঁর “সাঁঝের মায়া কাব্যথন্থ অন্তর্ভুক্ত হয়।
✅ কবিতাটির একটি লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য নাটকীয়তা। গঠনরীতির দিক থেকে এটি সংলাপনির্ভর রচনা। কবিতাটি রচিত হয় কবি ও কবিভক্তের সংলাপের মাধ্যমে। কবিতায় প্রকৃতি ও মানবমনের সম্পর্কের তাৎপর্যময় অভিব্যক্তি ব্যক্ত হয়েছে।
✅ কবিতায় ছায়াপাত ঘটেছে কবির ব্যক্তিজীবনের দুঃখময় ঘটনার। ১৯৩২ সালে তাঁর স্বামী সৈয়দ নেহাল হােসেনের আকস্মিক মৃত্যুতে কবির জীবনে প্রচণ্ত শূন্যতা নেমে আসে।
✅ কবিতাকে আচ্ছন্ন করে আছে বিষাদময় রিক্ততার সুর। তাই বসন্ত এলেও উদাসীন কবির অন্তর জুড় থাকে রিক্ত শীতের করুণ বিদায়ের সুর। সুতরাং কবি শীত ঋতুকে মােটেও ভুলতে পারছেন না।
✅ কবিতাটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত। পূর্ণপর্ব ৮ মাত্রা ও অপূর্ণপর্ব ১০ মাত্রা। স্তবক বিন্যাসে কিছুটা বৈচিত্র্য আছে।
✅ কবিতায় স্তবক ৫ টি। চরণ বা পংক্তি ৩০ টি।
✅ কবিতায় কবি শব্দাট এসেছে- ৫ বার।প্রশ্নবাধক চিহ্ন আছে- ১৯ বার।
তাহারেই পড়ে মনে কবিতার mcq (100% common)
তাহারেই পড়ে মনে কবিতার অনুধাবন প্রশ্ন (শব্দার্থ ও টিকা)
সমীর- বাতাস।
পুষ্পারতি- ফুলের বন্দনা বা নিবেদন।
মাধবী- বসন্তী লতা বা তার ফুল।
অর্ঘ্যবিরচন- অঞ্জলি বা উপহার রচনা।
রাজন- রাজা, নৃপতি।
অলখ- অলক্ষ, দৃষ্টির অগোচর।
বন্দনা- স্তুতি, প্রশংসা।
উন্মুনা- অন্যমনস্ক, অনুত্সুক।
পাথার- সমুদ্র
কুহেলি- কুয়াশা
উত্তরী- চাদর
বরিয়া- বরণ করে
লবে- নেবে
* লহ – নাও
* স্লিশ্ধ আঁখি- মায়াবী চোখ।
* বিমুখতা- অপ্রসন্নতা, অনাগ্রহ, বিরূপ ভাব।
* মাঘের সন্ন্যাসী- কবি শীতকে মাঘের সন্ন্যাসীরূপে কল্পনা করেছেন।
* বাতাবি- এক ধরনের বড় লেবু। যবদ্বীপের রাজধানী ‘বাটাভিয়া’ থেকে প্রথমে আনা হয় বলে ‘বাতাবি’ নামকরণ করা হয়েছে।
তাহারেই পড়ে মনে কবিতার ব্যাখ্যা এবং তথ্যমূলক আলোেচনা
✅ কবিতায় মাঘ-ফাল্নুন মাস ও বসন্ত ঋতৃুর উল্লেখ আছে।
✅কবিতার শুরুতে ‘হে কবি’ বলতে কবিভক্ত কবিকে সম্বোধন করেছেন।
✅ ঋতুর রাজন বলতে ঋতুরাজ বসন্তকে বুঝানাে হয়েছে।
✅ কবিতার মূল বিষয় হল- জীবনের বিষণ্ন মাধুর্য।
✅ কবিতায় উল্লেখিত ফলের নাম- বাতাবি লেবু ও আম।
✅ বসন্তবন্দনা তব কণ্ঠ শুনি- এ মাের মিনতি।” এটা ভক্তবৃন্দের আবেদন
✅ “তীর তার এসেছে কি?” —— শুনি নাই, রাখিনি সন্ধান।” এখানে কবির উদাসীনতা প্রকাশ পেয়েছে।
✅ ধরায় ফাগুন এসেছে বসন্ত ঋতুকে বরণ করার জন্য।
✅ বসন্তের ভক্তরা কবির কোন সাজ প্রত্যাশা করেছিল- পুঙ্পসাজ।
✅ মাঘের সন্ন্যাসী চলে গেছে- পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে।
✅ * “তাহারেই পড়ে মনে, ভুলিতে পারি না কোন মতে।” এখানে কবির শীত খতুকে মনে পড়ে।
✅ *শুনি নাই, রাখি নি সন্ধান” কবি এখানে বসন্তের সন্ধানের কথা বলেছেন
✅ কবির বসন্তবিমুখতার কারণ- ব্যক্তিগত দুঃখবোধ।
তাহারেই পড়ে মনে কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
১। ‘তাহারেই পড়ে মনে কবিতায় কবির নীরবতার কারণ কী?
উত্তর: প্রিয়জন হারানাের শােক।
২। তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি প্রথম কোন কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ‘মাসিক মােহাম্মদী’ পত্রিকায়
৩। পাথার শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: সমুদ্র।
৪। কহিল সে শ্রি্ধ আঁখি তুলি-কার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: এখানে কবির কথা বলা হয়েছে।
৫। শীতের রিক্ততার সঙ্গে কবি কিসের সাদূশ্য খুঁজে পেয়েছেন?
উত্তর: নিজ জীবনের অন্ত শূন্যতার।
৬। কবি সুফিয়া কামাল কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: ১৯৯৯ সালে।
৭। তাহারেই পড়ে মনে কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?
উত্তর: অক্ষরবৃত্ত ছন্দে লেখা।
৮। মাঘের সন্ন্যাসী কোথায় চলে গেছে?
৯। ‘কুহেলি অর্থ কী?
উত্তর: কুয়াশা।
১০। উত্তরী’ শব্দের অর্থ কী?
১১। কীসের প্রতি কবির তীব্র বিমুখতা?
উত্তর: বসন্তের প্রতি।
১২। ‘পুষ্পারতি শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ফুলের বন্দনা।
১৩। সুফিয়া কামালের স্বামীর নাম কী?
উত্তর: সৈয়দ নেহাল হাসেন।







